OrganicOnline.com.bd

OrganicOnline.com.bd

Click any image to open preview.

Gawa Ghee( 200 gm)

Food Product BDT 279

You can order directly from https://bit.ly/2WH0D4L

  • Minimum Purchase Amount: 500 taka (from any products of OrganicOnline.com.bd)
  • 5% of total amount will be contributed to support Exaiubian Community
  • Delivery Charge: 75 taka 
  • All Product List: https://bit.ly/3fuIRdL
  • PKSF Certified Product.

ভিটামিনের উৎস: বিশেষজ্ঞের মতে, “প্রাকৃতিকভাবেই ঘিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লাইনোলেইক অ্যাসিড ও বিউটাইরিক অ্যাসিড থাকে। দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জননাঙ্গ ইত্যাদির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত উপকারী।

ঘিতে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘কে’, ‘ই’ এবং ‘বি টুয়েলভ’ থাকে।

ঘিয়ের ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘কে’ চর্বিতে দ্রবণীয়। ফলে চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরে আরও ভালোভাবে শোষিত হয়। শরীরের প্রয়োজনে ব্যবহৃতও হয় বেশি কার্যকরভাবে।”

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান: কোষকে ‘অক্সিডেটিভ’ ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। অক্সিজেনের সঙ্গে পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের যে ক্ষয় হয় তাই হচ্ছে ‘অক্সিডেটিভ’ ক্ষতি। শরীরে চিনি বেশি হলে, বিপাকীয় চাপ বেশি হলে, কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া ভালোভাবে কাজ না করলে এবং ইনসুলিনের অনিয়ম হলে এই সমস্যা হয়। অতিরিক্ত অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এই সমস্যার ঝুঁকি কমাতে কিছুটা হলেও অবদান আছে ঘিয়ের।

হাড়ের গঠন: “ঘিয়ের ভিটামিন ‘কে’ ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে হাড়ের স্বাস্থ্য ও গঠন বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর ইনসুলিন ও শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে কাজে লাগে ভিটামিন ‘কে।” বলেন চ্যাডউইক।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্গানিক ভ্যালির রেজিস্টার্ড পুষ্টিবিদ এবং ফুড স্লুথ রেডিও অর্গানিক’য়ের উপস্থাপিকা মেলিন্ডা হেমেলগার্ন পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে জানান, “শতভাগ তৃণভোজী গাভীর দুধ থেকে তৈরি ঘি থেকে মেলে সিএলএ (কনজুগেইটেড লাইনোলেইক অ্যাসিড) নামক চর্বি এবং উচ্চমাত্রার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের গুণাগুন।”

এসম্পর্কে ডা. চ্যাডউইক বলেন, “গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ও পশু উভয়ের শরীরেই কনজুগেইটেড লাইনোলেইক অ্যাসিড ‘অ্যাডিপস’ অর্থাৎ ‘ফ্যাট টিস্যু’ কমায়, হাড়ের স্বাস্থ্যকর গঠন তৈরিতে সহায়তা করে, হজমে সাহায্য করে, কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। তাই খাদ্যাভ্যাসে এরমধ্যে মাখনের চাইতে ঘি যোগ করাই আদর্শ।”

পরিমাণ বুঝে ঘি খান

ওজন কমাতে খাদ্যতালিকা থেকে ঘি বাদ দেওয়া সাধারণ ধারণা হলেও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে উল্টো।

অনেকেই মনে করেন ওজন কমানোর সহজ উপায় হল খাদ্য তালিকা থেকে চিনি, ভাত, তৈলাক্ত খাবার বাদ দেওয়া। তবে পরিমিত পরিমাণে খেলে অপকারের চাইতে উপকারই বেশি।

সেই পরিমাণটা কতটুকু? পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ঘি খাওয়ার পরিমাপের বিষয়ে এখানে জানানো হল।

ওজন কমাতে ঘি পরিপন্থি নয়: ঘি স্বাস্থ্যকর খাবারের শত্রু নয়। বরং এটা স্বাস্থ্যকর চর্বি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে ঘি ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। গরুর দুধের তৈরি ঘি শরীর থেকে উম্নুক্ত রেডিকল দূর করে এবং শরীরের ভেতরে পরিবর্তন যেমন- স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধ করতে পারে।

উপকারিতা: ঘি শরীরে শক্তি যোগায় এবং বিষাক্ত পদার্থ দূরে করে। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে এর সমন্বয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্বাস্থ্য ভালো রাখে, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, ত্বক সুন্দর করে, অস্থিসন্ধি ও হার শক্তিশালী করতে ঘি সহায়তা করে।

ওজন কমাতে ঘি: পুষ্টিবিদদের মতে, ঘিয়ের ‘বিউটাইরিক অ্যাসিড’ শরীরের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। শর্ত একটাই- তা হল অতিরিক্ত ঘি খাওয়া যাবে না। যদি ওজন কমাতে চান তাহলে প্রতিদিন দুই চামচ ঘি খান। অতিরিক্ত ঘি ধমনী পুরু করে ফেলে বিশেষ করে মহিষের ঘি। সেই সঙ্গে বিপাকের হার কমায়।

কাঁচা ঘি: কাঁচা ঘি খাওয়া বেশি উপকারী। সৌতে বা ভেজে না খেয়ে সকালে খালি পেটে এক চা-চামচ ঘি খেলে, ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

গরুর দুধ থেকে তৈরি ঘি সবজি, তরকারি এমনকি রুটি দিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যকর পন্থা।